banglashop24.com

বৃষ্টি

88.00৳ 

বৃষ্টি কি ? 

জিবেরেলিক অ্যাসিড (জিবেরেলিন) হল প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত জৈব উদ্দীপক হরমোন যা উদ্ভিদের বৃদ্ধির নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করে।গাছের দ্রুত বৃদ্ধি, ফুল ধারন এবং ফলন বাড়াতে  সাহায্য করে ।

100% Genuine Products

100% Secure Payments

Help Center (+8801234567890)

Description

বৃষ্টি কি ? 

জিবেরেলিক অ্যাসিড (জিবেরেলিন) হল প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত জৈব উদ্দীপক হরমোন যা উদ্ভিদের বৃদ্ধির নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করে।গাছের দ্রুত বৃদ্ধি, ফুল ধারন এবং ফলন বাড়াতে  সাহায্য করে ।

বৃষ্টি কিভাবে কাজ করে ? 

  • ১) বৃষ্টি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে ফুল ও ফল উৎপাদন বাড়ায়।
  • ২) বীজের সুপ্তাবস্থা কাটিয়ে সুষম ও তাড়াতাড়ি অঙ্কুরোদগমে সহায়তা করে।
  • ৩) গাছের ফুল ফুটাতে সাহায্য করে এবং ফুল ও ফল ঝরা বন্ধ করে।পাশাপাশি গাছের পাতা ও কান্ডের বৃদ্ধিবৃ ঘটায় এবং ফলের আকার বৃদ্ধিবৃ করে ও আকৃতি সুন্দর করে।
  • ৪) গাছের কাণ্ড দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফুল ও ফলকে আকর্ষণীয় করে এবং উৎপাদন বাড়ায়।
  • ৫) ধানের চারায় সমবৃদ্ধি ঘটায়। একই সময়ে স্ত্রী ও পুরুষ ফুল ধারণে সহায়ক যা হাইব্রিডাইজিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ৬) দানা জাতীয় ফসলের কুশি সংখ্যা এবং দানার ওজন বৃদ্ধিবৃ পায়।
  • ৭) স্বল্প বৃদ্ধির গাছ দ্রুত বড় করে। বিশেষ করে গাছের মাটির উপরের অংশের (Shoot) সতেজতা বাড়ায়।
  • ৮) লেবুর পরিপক্কতা বা হলদে হয়ে যাওয়া রোধ করে।
  • ৯) ফসলের ফলন, গুণাগুণ ও স্বাদ বাড়ায়।
  • ১০) অন্যান্য সারের কার্যকারিতা বাড়ায়।

ব্যবহারবিধি: সকল ধরনের ফসলে বৃষ্টি ১০ মিলি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে সম্পূর্ণ গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন। 

প্যাকিং সাইজ: ১০০ মিলি, ৪০০ মিলি, ১ লিটার ও ৫ লিটার । 

সাবধানতা: ব্যবহারের পূর্বে বোতলের গায়ে লিখিত নির্দেশাবলী ভালভাবে পড়ুন এবং মেনে চলুন।

নিম্নের বর্ণিত প্রয়োগমাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন ফসলে বৃষ্টি ব্যবহার করলে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যায় :

ফসল প্রয়োগের সময় প্রয়োগের হার প্রয়োগমাত্রা
ধান কাইচ থোড় ১০% গজালে ১ম বার ও ৩০-৪০% গজালে ২য় বার ২ বার ১০ মিলি ১০ লিটার   পানিতে
ধান (বীজের সুপ্তাবস্থা দূর করার জন্য) জাগ দেয়ার আগে বৃষ্টি মিশ্রিত পানিতে ১২ ঘন্টা ধানের বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে  
গম কুশি গজানোর মাঝামাঝি সময়ে ১ম বার ও এর ১২ দিন পর ২য় বার ২ বার

 

ভূট্টা দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১ বার,  তবে প্রয়োজন হলে ১০ দিন পর ২য় বার ১-২ বার
আলু বীজ লাগানোর ৩৮-৪০ দিনের মধ্যে

 

১ বার
আম আম আসার পর ১ম বার ও আম ভাঙ্গার ১-১.৫ মাস আগে ২য় বার ১-২ বার

 

১০ মিলি ১০ লিটার   পানিতে
লিচু মটর দানার মত হলে ১ম বার ও প্রয়োজনে ১৫ দিন পর ২য় বার ১-২ বার

 

আনারস ফুল আসার পর ১ম বার ও ১৫ দিন পর ২য় বার

 

২ বার
পেয়ারা দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১ম বার ও ফল পাড়ার ২০-২৫ দিন আগে ২য় বার স্প্রে করলে ফল দেরী করে পাকবে ১-২ বার

 

কলা দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১ম বার ও ফল পাড়ার ২০-২৫ দিন আগে স্প্রে করলে ফল দেরী করে পাকবে এবং ফল পাড়ার পর চুবিয়ে নিলে ফলের সংরক্ষণের সময় বাড়বে  

২ বার

 

বরই দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১-২ বার

 

বেগুন ফুল আসার পর   ১০ মিলি ১০ লিটার   পানিতে
টমেটো ফুল আসার পর ১ বার
শশা, তরমুজ ও কুমড়া জাতীয় ফসল ১-২টি পাতা বের হওয়ার পর ১ম বার,  ফুল আসার পর ২য় বার ও ফল তোলার আগে ৩য় বার ৩ বার
তুলা  বল আসার ১-৩ দিনের মধ্যে ১ম বার,  এরপর প্রয়োজনে ৩-৪ দিন পর পর আরও ২-৪ বার

 

৩-৫ বার
ফুলকপি ও বাধাকপ দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১-২ বার
মরিচ বীজ লাগানোর ৪০-৫০ দিন পর ১ম বার ও ৬০-৭০ দিন পর ২য় বার ২ বার ১০ মিলি ১০ লিটার   পানিতে
শিম (বীজের সুপ্তাবস্থা দূরদূকরার জন্য) বীজের উপর স্প্রে করতে হব  
পুঁই শাক/লাল শাক পাতা তোলার ৩ সপ্তাহ আগে ১ম বার ও প্রয়োজন হলে ৩-৫ দিন পর ২য় বার

 

 

১-২বার
ডাটা ৫-৬টি পাতা বের হলে ১ম বার ও প্রয়োজন হলে ৩-৫ দিন পর ২য় বার ১-২বার

 

পিঁয়াজ/রসুন বীজ গজানোর ৩ সপ্তাহ পর ১ম বার ও ১৫ দিন পর ২য় বার ২ বার
পেঁপে ২-৩টি পাতা বের হলে (১০ সে.মি. হলে) ১ বার
পেঁপে (বীজের সুপ্তাবস্থা দূরকরার জন্য) ১ ঘন্টা চুবিয়ে রাখতে হব  
সয়াবিন ৩-৪টি পাতা বের হল ১ বার

Additional information

Botol

১০০ মিলি, ১০০০ মিলি, ৪.৫ লিটার, ৪০০ মিলি

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বৃষ্টি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home
Account
Cart
Search
0