Description
বৃষ্টি কি ?
জিবেরেলিক অ্যাসিড (জিবেরেলিন) হল প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত জৈব উদ্দীপক হরমোন যা উদ্ভিদের বৃদ্ধির নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করে।গাছের দ্রুত বৃদ্ধি, ফুল ধারন এবং ফলন বাড়াতে সাহায্য করে ।
বৃষ্টি কিভাবে কাজ করে ?
- ১) বৃষ্টি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে ফুল ও ফল উৎপাদন বাড়ায়।
- ২) বীজের সুপ্তাবস্থা কাটিয়ে সুষম ও তাড়াতাড়ি অঙ্কুরোদগমে সহায়তা করে।
- ৩) গাছের ফুল ফুটাতে সাহায্য করে এবং ফুল ও ফল ঝরা বন্ধ করে।পাশাপাশি গাছের পাতা ও কান্ডের বৃদ্ধিবৃ ঘটায় এবং ফলের আকার বৃদ্ধিবৃ করে ও আকৃতি সুন্দর করে।
- ৪) গাছের কাণ্ড দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফুল ও ফলকে আকর্ষণীয় করে এবং উৎপাদন বাড়ায়।
- ৫) ধানের চারায় সমবৃদ্ধি ঘটায়। একই সময়ে স্ত্রী ও পুরুষ ফুল ধারণে সহায়ক যা হাইব্রিডাইজিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ৬) দানা জাতীয় ফসলের কুশি সংখ্যা এবং দানার ওজন বৃদ্ধিবৃ পায়।
- ৭) স্বল্প বৃদ্ধির গাছ দ্রুত বড় করে। বিশেষ করে গাছের মাটির উপরের অংশের (Shoot) সতেজতা বাড়ায়।
- ৮) লেবুর পরিপক্কতা বা হলদে হয়ে যাওয়া রোধ করে।
- ৯) ফসলের ফলন, গুণাগুণ ও স্বাদ বাড়ায়।
- ১০) অন্যান্য সারের কার্যকারিতা বাড়ায়।
ব্যবহারবিধি: সকল ধরনের ফসলে বৃষ্টি ১০ মিলি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে সম্পূর্ণ গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন।
প্যাকিং সাইজ: ১০০ মিলি, ৪০০ মিলি, ১ লিটার ও ৫ লিটার ।
সাবধানতা: ব্যবহারের পূর্বে বোতলের গায়ে লিখিত নির্দেশাবলী ভালভাবে পড়ুন এবং মেনে চলুন।
নিম্নের বর্ণিত প্রয়োগমাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন ফসলে বৃষ্টি ব্যবহার করলে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যায় :
| ফসল | প্রয়োগের সময় | প্রয়োগের হার | প্রয়োগমাত্রা |
| ধান | কাইচ থোড় ১০% গজালে ১ম বার ও ৩০-৪০% গজালে ২য় বার | ২ বার | ১০ মিলি ১০ লিটার পানিতে |
| ধান (বীজের সুপ্তাবস্থা দূর করার জন্য) | জাগ দেয়ার আগে বৃষ্টি মিশ্রিত পানিতে ১২ ঘন্টা ধানের বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে | ||
| গম | কুশি গজানোর মাঝামাঝি সময়ে ১ম বার ও এর ১২ দিন পর ২য় বার | ২ বার
|
|
| ভূট্টা | দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১ বার, তবে প্রয়োজন হলে ১০ দিন পর ২য় বার | ১-২ বার | |
| আলু | বীজ লাগানোর ৩৮-৪০ দিনের মধ্যে
|
১ বার | |
| আম | আম আসার পর ১ম বার ও আম ভাঙ্গার ১-১.৫ মাস আগে ২য় বার | ১-২ বার
|
১০ মিলি ১০ লিটার পানিতে |
| লিচু | মটর দানার মত হলে ১ম বার ও প্রয়োজনে ১৫ দিন পর ২য় বার | ১-২ বার
|
|
| আনারস | ফুল আসার পর ১ম বার ও ১৫ দিন পর ২য় বার
|
২ বার | |
| পেয়ারা | দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১ম বার ও ফল পাড়ার ২০-২৫ দিন আগে ২য় বার স্প্রে করলে ফল দেরী করে পাকবে | ১-২ বার
|
|
| কলা | দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে ১ম বার ও ফল পাড়ার ২০-২৫ দিন আগে স্প্রে করলে ফল দেরী করে পাকবে এবং ফল পাড়ার পর চুবিয়ে নিলে ফলের সংরক্ষণের সময় বাড়বে |
২ বার
|
|
| বরই | দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে | ১-২ বার
|
|
| বেগুন | ফুল আসার পর | ১০ মিলি ১০ লিটার পানিতে | |
| টমেটো | ফুল আসার পর | ১ বার | |
| শশা, তরমুজ ও কুমড়া জাতীয় ফসল | ১-২টি পাতা বের হওয়ার পর ১ম বার, ফুল আসার পর ২য় বার ও ফল তোলার আগে ৩য় বার | ৩ বার | |
| তুলা | বল আসার ১-৩ দিনের মধ্যে ১ম বার, এরপর প্রয়োজনে ৩-৪ দিন পর পর আরও ২-৪ বার
|
৩-৫ বার | |
| ফুলকপি ও বাধাকপ | দৈহিক বৃদ্ধির পর্যায়ে | ১-২ বার | |
| মরিচ | বীজ লাগানোর ৪০-৫০ দিন পর ১ম বার ও ৬০-৭০ দিন পর ২য় বার | ২ বার | ১০ মিলি ১০ লিটার পানিতে |
| শিম (বীজের সুপ্তাবস্থা দূরদূকরার জন্য) | বীজের উপর স্প্রে করতে হব | ||
| পুঁই শাক/লাল শাক | পাতা তোলার ৩ সপ্তাহ আগে ১ম বার ও প্রয়োজন হলে ৩-৫ দিন পর ২য় বার
|
১-২বার | |
| ডাটা | ৫-৬টি পাতা বের হলে ১ম বার ও প্রয়োজন হলে ৩-৫ দিন পর ২য় বার | ১-২বার
|
|
| পিঁয়াজ/রসুন | বীজ গজানোর ৩ সপ্তাহ পর ১ম বার ও ১৫ দিন পর ২য় বার | ২ বার | |
| পেঁপে | ২-৩টি পাতা বের হলে (১০ সে.মি. হলে) | ১ বার | |
| পেঁপে (বীজের সুপ্তাবস্থা দূরকরার জন্য) | ১ ঘন্টা চুবিয়ে রাখতে হব | ||
| সয়াবিন | ৩-৪টি পাতা বের হল | ১ বার |

Reviews
There are no reviews yet.